ফরিদপুরে ১৪ মামলার আসামির গলাকাটা লাশ উদ্ধার

  

পিএনএস ডেস্ক : ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় সর্দার রিপন কাজী (৩৫) নামে এক ব্যক্তির গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার সকাল আটটার দিকে উপজেলার রূপাপাত ইউনিয়নের কলিমাঝি গ্রামের লায়েক মিয়ার মেহগনি বাগান থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

রিপন কাজীর বাড়ি উপজেলার বাগডাঙ্গা গ্রামে। পুলিশ জানিয়েছে, অস্ত্র, মাদক, ডাকাতি, ডাকাতির চেষ্টা, দস্যুতা ও চুরির অভিযোগে রিপনের বিরুদ্ধে গোপালগঞ্জ সদর, কাশিয়ানী, মুকসুদপুর ও বোয়ালমারী থানায় ১৪টি মামলা আছে। ২০০৩ সালে ডাকাতির প্রস্তুতি মামলার আসামি হিসেবে তিনি সাত বছর সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করেন। বোয়ালমারী থানার দুটি মাদক মামলায় পলাতক আসামি ছিলেন তিনি।

সহরাইল বাজার বণিক সমিতির সভাপতি মো. চুন্নু বিশ্বাস বলেন, আজ ভোরে ফজরের নামাজ আদায় করে তিনি এলাকায় হাঁটাহাঁটি করছিলেন। ওই সময় এলাকাবাসী তাঁকে জানায়, কলিমাঝি গ্রামের লায়েক মিয়ার মেহগনি বাগানে একটি লাশ পড়ে আছে। সকাল সাতটার দিকে তিনি লাশটি দেখতে যান। মৃতের গলার চারপাশে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল। তাঁর পরনে কালো রঙের একটি জিনসের প্যান্ট ও গায়ে টিশার্ট ছিল। পরে তিনি বোয়ালমারী থানায় খবর দেন।

বোয়ালমারী থানা সূত্রে জানা যায়, সকালে মো. চুন্নু বিশ্বাসের ফোন পেয়ে রূপাপাত ইউনিয়নের কলিমাঝি গ্রামের লায়েক মিয়ার মেহগনি বাগান থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

রিপন কাজীর চাচা দেলোয়ার কাজী জানান, গত রোববার রিপন ঢাকা যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হন। এরপর তিনি আর বাড়িতে ফিরে আসেননি।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বোয়ালমারী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে যে মাদকের আধিপত্য বা ডাকাত দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে সহযোগীরা তাঁকে হত্যা করতে পারে। তিনি এই এলাকার অন্যতম প্রধান মাদক ব্যবসায়ী। তিনি রামদা হাতে নিয়ে এলাকার বিভিন্ন বাগানে রাত কাটাতেন বলে পুলিশের কাছে তথ্য ছিল।

শহিদুল ইসলাম বলেন, লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় রিপন কাজীর পরিবার আজ দুপুর পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ করেনি। নিহতের পরিবার মামলা করতে রাজি না হলে পুলিশ বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা করবে।

পিএনএস-জে এ

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech