ফুলবাড়িয়ায় পৃথক ঘটনায় দুই ঘন্টার ব্যবধানে দুই শিশুর লাশ উদ্ধার

  

পিএনএস, ময়মনসিংহ প্রতিনিধি : ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলায় পৃথক ঘটনায় দুই ঘন্টার ব্যবধানে দুই শিশুর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার (২০ এপ্রিল) দুপুর ১২ টার দিকে শিবগজ্ঞ-কেশরগজ্ঞ সড়কের বৈলাজান নামক স্থানে অটোভ্যান রিকশা চাপায় তানহা (৩) নামের এক শিশুর মরদেহ এবং একইদিন সকাল ১০ টার দিকে উপজেলার বরুকানামাপাড়া আয়মন নদীর পাড় থেকে সাইদুল ইসলাম সিফাত (১০) নামে এক শিশুর ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

ফুলবাড়ীয়া থানার এস আই সাইদুর রহমান নিহত শিশুর পরিবারের বরাতে জানান, ফুলবাড়ীয়া উপজেলার শুশুতি গ্রামের বাবুল মিয়ার শিশু কন্যা নানার বাড়ি বৈলাজানে বেড়াতে এসেছিল। শনিবার দুপুর ১২ টার দিকে আরেক শিশুকে নিয়ে আইসক্রিম কেনার জন্য শিবগজ্ঞ-কেশরগজ্ঞ সড়কের বৈলাজান নামক স্থানে সড়কের পাশে আসলে তানহাকে এক অটোভ্যান রিকশা চাপা দেয়। দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।এ ঘটনায় অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে আরো জানান তিনি।

অপরদিকে ফুলবাড়ীয়া উপজেলার বরুকানামাপাড়া আয়মন নদীর পাড় থেকে সাইদুল ইসলাম সিফাত (১০) নামে এক শিশুর ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সিফাত ওই গ্রামের ভ্যানচালক এনামুল হকের ছেলে।

শনিবার (২০ এপ্রিল) সকাল ১০ টার দিকে উপজেলার বরুকানামাপাড়া আয়মন নদীর পাড় থেকে ওই শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহত শিশুর পরিবার সূত্রে জানাযায়, শুক্রবার(১৯ এপ্রিল) বাড়ির পাশের মসজিদে সিফাত নামাজ পড়তে যায়। মসজিদে সিফাতের সঙ্গে নূরুল ইসলামের ছেলে মিনহাজের ঝগড়া হয়৷ শিশুদের ঝগড়াকে কেন্দ্র করে বাবা এমামুলকে মারধর করে নূরুল ইসলাম।

রাতে এনামুলের শিশুপুত্র সিফাত নামাজ পড়তে গিয়ে মসজিদ থেকে নিখোঁজ হয়। পরদিন শনিবার সকালে আয়মন নদীর পাড়ে তার ক্ষতবিক্ষত মরদেহ পাওয়া যায়।

নিহত সিফাতের চাচা হাবিবুল্লাহ বলেন, ‘আমরা গরিব মানুষ। জানামতে আমাদের কোনো শত্রু নাই। সিফাতের ঘাড় মাটকানো ছিল। শরীরের বিভিন্ন স্থানে মাংসবিহীন ছিল। আমাদের ধারণা- মসজিদের ঝগড়াকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকান্ড ঘটেছে।’

ফুলবাড়ীয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)) শেখ কবিরুল ইসলাম জানান, সাইদুল ইসলাম সিফাত এর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত চলছে।

পিএনএস/মো: শ্যামল ইসলাম রাসেল

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech