স্বেচ্ছায় পদত্যাগ না করলে রাব্বানীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: নুর

  

পিএনএস ডেস্ক:ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) জিএস গোলাম রাব্বানী স্বেচ্ছায় পদত্যাগ না করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন ডাকসুর ভিপি নূরুল হক নুর।

মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ডাকসুর নিজ কক্ষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের এই নেতা একথা জানান।

জালিয়াতির মাধ্যমে ছাত্র ভর্তি ও দুর্নীতিসহ নানা কারণে নিজ সংগঠন থেকে বহিষ্কৃত হয়েছেন ছাত্রলীগ সদ্য সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী। ইতোধ্যে ডাকসু ও সিনেটের পদ থেকে তার পদত্যাগের দাবি উঠেছে।

ভিপি নুর বলেন, ‘ছাত্র সংগঠনগুলো ইতোমধ্যে তার পদত্যাগের দাবি তুলেছে। ভিসিও বলেছেন বিষয়টি নিয়ে ডাকসুর গঠনতন্ত্র দেখে যে ধরণের ব্যবস্থা নেয়া যায় সে ধরণের ব্যবস্থা তিনি নিবেন।

‘আমরা জিএসকে বারবার আহ্বান করেছি তিনি যেন তার পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেন। তিনি তা না করলে তার বিরুদ্ধে গঠনতন্ত্র অনুসারে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

নুরের আগে ডাকসুর এজিএস ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন সংবাদ সম্মেলন করেন। যে ৩৪ জনের ভর্তির ব্যাপারে অভিযোগ উঠেছে জালিয়াতির মাধ্যমে ভর্তি এজিএস সাদ্দাম হোসেন বলছেন নিয়ম মেনেই তারা ভর্তি হয়েছেন।

এজিএস যে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে তা ডাকসু থেকে ডাকা হয়নি দাবি করে নুর বলেন, ‘সাধারণ ছাত্রসহ আমরা যে বিষয়টি নিয়ে আন্দোলন করছি সে বিষয় নিয়ে তারা গণমাধ্যমে মিথ্যাচার করছে।’

নুর জানান, ‘যে ৩৪ জন ছাত্র ডাকসু নির্বাচনের আগে তফসিল ঘোষণার পর ভর্তি হয়েছে তারা কোনো রকম ভর্তি পরীক্ষা ছাড়াই ভর্তি হয়েছে। যেটা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পূর্ণ নিয়মনীতি পরিপন্থী।’

ডাকসুর ভিপিকে প্রোগ্রামে পাওয়া যায় না- ‘এজিএসের এমন অভিযোগের জবাবে নুর বলেন, ‘তাদের একটি প্রবণতা আছে আমাকে পাশকাটিয়ে প্রোগ্রাম করার। যে সময় সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়েছে তখন আমি রুমে উপস্থিত। তারা যদি ভিপিকে এভয়েড করে আমার কী বা করার আছে?’

আমি পরিষ্কারভাবে বলেছি, যে ৩৪ জন ছাত্র ভর্তি হয়েছে তারা জালিয়াতি করে ভর্তি হয়েছে। সে ভর্তির সাথে জড়িত ডিন। ভিসি বলেছেন তিনি জড়িত নন। ডিনের অপসারণ এবং যে সাতজন ডাকসুতে ও একজন হল সংসদে প্রতিনিধিত্ব করছেন তাদের অপসারণ চেয়ে আমি ভিসিকে ইতোমধ্যে চিঠি দিয়েছি; যেহেতু তিনি ডাকসুর সভাপতি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ অভিভাবক।

‘জিএসের বিষয়ে আমরা বলবো, তার অপকর্মের কারণে, দুর্নীতির কারণে তাকে একটা ছাত্র সংগঠনের পদ থেকে সরে যেতে বাধ্য করা হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো একটি জায়গায় যেখানে দেশের সব মানুষের আশা ও ভরসার একটি জায়গা, সেখানে অভিযুক্ত সে ব্যক্তি কিভাবে প্রতিনিধিত্ব করে? তাতে করে ডাকসুকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হবে। সেই সাথে খারাপ একটি দৃষ্টান্তও হয়ে থাকবে।’

পিএনএস/এএ

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন