১১ বছরে মাধ্যমিক পাস!

  

পিএনএস ডেস্ক : মাত্র ১১ বছরেই মাধ্যমিকে পাশ করে হইচই ফেলে দিয়েছে সাইফা খাতুন নামে এক শিক্ষার্থী। কিন্তু তার দাবি পরীক্ষা দেওয়ার পর যে ফলাফল সে আশা করেছিল, তা পায়নি। তাই নম্বর পুনঃমূল্যায়নের জন্য সরাসরি বোর্ডকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছে সে নিজেই। এদিকে মেয়ে পাশ করলেও আশানুরুপ ফলাফল না আসায় সাইফার বাবা শেখ মোহাম্মদ আইনুল নম্বরও প্রকাশ করেননি।

ঘটনাটি ঘটেছে ভারতে। কলকাতার হাওড়ার এই ছাত্রীর ফলাফল আসার পর মাধ্যমিকের ইতিহাসে নজিরবিহীন ঘটনা বলে আখ্যা দিয়েছেন জনগণ। ১১ বছর বয়সী এই ছাত্রীর সাফল্যে প্রশংসায় পঞ্চমুখ রাজ্যের মেধা তালিকায় থাকা কৃতি শিক্ষার্থীরাও।

তবে পাশ করলেও আশাহত সাইফা। রাজ্যের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম তাদের বাড়িতে গিয়েছিল তার অনুভুতি জানতে। কিন্তু সাইফার দাবি, বোর্ড থেকে যে নম্বর সে পেয়েছে, তা মোটেই তার প্রাপ্য নম্বর হতে পারে না। এ সময় শিক্ষাবোর্ডকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানায় সে।

সাইফার ভাষ্য, সে ৯০ শতাংশের বেশি নম্বর পাবে। সংবাদমাধ্যমগুলো পরীক্ষার নম্বর জানতে চাইলে ক্ষোভে তার বাবা তা জানাননি।

সাইফার বাবা শেখ মোহাম্মদ আইনুল কলকাতা ২৪*৭কে জানান, তার মেয়ে যে নম্বর পেয়েছে তা আসল নম্বর নয়। তিনি কোনো সংবাদ মাধ্যমের কাছেই মেয়ের নম্বর প্রকাশ্যে আনবেন না। তবে নম্বর পুনঃমূল্যায়ন হলে তা দেখাতে পারেন তিনি।

বিষয়টি জানার পর বোর্ডের সভাপতি কল্যানময়বাবু কলকাতা ২৪*৭কে জানান, সাইফা চাইলে নম্বর পুনঃমূল্যায়ন করতে পারে। এ বিষয়ে কেউ বঞ্চিত হবে না।

ভারতে ১৬ বছরে মাধ্যমিক পরীক্ষা দেওয়ার নিয়ম। কেউ কেউ ১৫ বছরেও মাধ্যমিক দিয়ে থাকেন। কিন্তু মাত্র ১১ বছরে কীভাবে সাইফা মাধ্যমিক পরীক্ষা দিলো? জানা গেছে, ৬ বছর বয়সেই মাধ্যমিকের সিলেবাস সম্পূর্ণ করে ফেলেছিল সাইফা। পরে

পরীক্ষা দেবে বলে মনস্থির করে সে। তাই কোনো স্কুলে মেয়েকে ভর্তি করাননি তার বাবা।

মুখ্যমন্ত্রীর কাছে মেয়ে যাতে পরীক্ষা দিতে পারে, তা নিয়ে অনুরোধ জানান শেখ মোহাম্মদ আইনুল। গত বছর জানালেও এ বছর তার অনুরোধ রাখে মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয়। পরে বোর্ড তাকে বিশেষ পরীক্ষার অনুমতি দেয়। সেখানে উত্তীর্ণ হওয়ার পর মাধ্যমিকের ছাড়পত্র পায় সাইফা।


পিএনএস/এএ

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech