কাঁচাবাজারে দ্রব্যাদির দাম অস্বাভাবিকহারে বৃদ্ধি

  

পিএনএস, সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি : গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় হঠাৎ কাঁচাবাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির দাম অস্বাভাবিকহারে বেড়ে যাওয়ায় হতাশাগ্রস্থ হয়ে পড়েছে ক্রেতাগণ। শুধু তাই নয় বিক্রেগণও বিপাকে। যার কারনে অনেক নিম্ন আয়ের পরিবার লবন ভাত খেয়ে দিনাতিপাত করছে। গত দুই সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতিটি দ্রব্যের মূল্যে দুই হতে তিন বৃদ্ধি পেয়েছে।

দোকনদারগণ জানিয়েছেন আরও এক হতে দেড় মাস দাম কমানোর কোন সম্ভবনা নেই। নতুন তরিতরকারি বাজারে না আস পর্যন্ত প্রতিটি দ্রব্যের দাম কমবে না। উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজার ঘুরে ফিরে দেখা গেছে প্রতি কেজি আলু ৩৫-৫০ টাকা, বেগুন ৫০-৭০ টাকা, পটল ৬০-৭০ টাকা, কচু ৪০-৫০ টাকা, করলা ৮০-১০০ টাকা, গাজর ৬০-৮০ টাকা, টমেটো ৮০-১০০ টাকা, ঝিংগা ৫০-৬০ টাকা, শশা ৫০-৬০ টাকা, বড়বটি ৬০-৭০ টাকা, কুমড়া ৫০-১৫০ টাকা, কলা হালা ৪০-৫০ টাকা, পেঁপে ৪০-৬০ টাকা, মরিচ ২৫০-২৮০ টাকা, পিয়াঁচ ৫০-৮০ টাকা, রসুন ১০০-১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। কথা হয় ভ্যান চালক ফরিদ মিয়ার সাথে তিনি বলেন এক কেজি চাল কিনতে যে টাকা লাগে এক পোয়া মরিচ কিনতে তার চেয়ে বেশি টাকা লাগে। সারা দিন ভ্যান চালিয়ে ৪০০ হতে ৫০০ টাকা রোজগার হয়। ৫ জন সদস্যের পরিবার। চাল, ডাল, তরিতরকারি, ওষুধ, কিস্তির টাকা জমা সবমিলে টাকা আটে না। এভাবে তরিতরকারির দাম বাড়তে থাকলে লবন ভাত খেয়ে সংসার চালাতে হবে।

সুন্দরগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ী হামিদুল ইসলাম জানান, স্থানীয়ভাবে এখন পর্যন্ত কোন প্রকার তারিতরকারি বাজারে আসছে না। সে কারনে জেলার বাহির থেকে কাঁচাবাজারের দ্রব্যাদি বেশি দাম দিয়ে নিয়ে আসতে হচ্ছে। প্রতিদিন দাম বেড়েই চলছে। তিনি বলেন ব্যবসায়ীগণও বিপাকে পড়েছে। যতদিন পর্যন্ত নতুন তরিতরকারি বাজারে আসবে না ততদিন দাম কমার সম্ভবনা নেই। উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ সৈয়দ রেজা-ই মাহমুদ জানান অনাবরত বৃষ্টি বাদলের কারনে তরিতরকারি চাষাবাদ পিছিয়ে গেছে। শাক সবজিসহ বিভিন্ন তরিতরকারি চাষাবাদের জন্য তিস্তার চরাঞ্চল অত্যন্ত উপযোগি। আশা করা যাচ্ছে অল্প সময়ের মধ্যে নতুন তরিতরকারি বাজারে আসবে।

পিএনএস/এসআইআর


 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন