এবার প্রায় ৪০ লাখ কোরবানির পশু অবিক্রিত থাকার আশঙ্কা!

  

পিএনএস ডেস্ক: বর্তমান করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে এবার কোরবানি মৌসুমে প্রায় ৪০ লাখ পশু অবিক্রিত থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। অন্যবারের চেয়ে এবার ২৫ শতাংশ কোরবানি কম হতে পারে। এছাড়া করোনায় মানুষের সামর্থ কমে যাওয়ায় উৎপাদনের চেয়ে কোরবানির পশু ক্রয়ের সংখ্যা কমবে বলে মৎস ও পশু সম্পদ মন্ত্রণালয় সূত্র আভাস দিয়েছে।

এদিকে করোনা পরিস্থিতিতেও এবার সারাদেশে কোরবানির পশুর হাটের সংখ্যা কমানো হবে না। বরং একস্থানে বড় হাটের চেয়ে ছোট ছোট আকারে ওয়ার্ড পর্যায়ে হাট বসানোর পক্ষে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। সে আলোকে সারাদেশে কোরবানির হাট বসানোর ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংস্থাকে চারটি নির্দেশনা দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী মো: তাজুল ইসলাম এমপি।

রবিবার গণমাধ্যমকে এসব নির্দেশনার কথা জানান তিনি। চার নির্দেশনার মধ্যে রয়েছে-কোরবানির হাট ছোট আকারে করা, স্বাস্থবিধি মেনে চলা, হাটে পরিবার প্রতি একজন যাওয়া এবং স্থানীয় প্রশাসনের সিদ্ধান্তে হাটের সংখ্যা নির্ধারণ করা।

অন্যদিকে কোরবানির হাট নিয়ে মৎস ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকেও তিনটি নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সেগুলো হচ্ছে- দেশের বাইরে থেকে গরু আনা বন্ধ, বেচাকেনার অনলাইন প্লাটফর্ম বাড়ানো এবং ভেজাল পশুখাদ্য ও নিষিদ্ধ এন্টিবায়োটিক প্রতিরোধ করা।

সূত্র মতে, আসন্ন কোরবানির মৌসুমে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিতে গত বৃহস্পতিবার মৎস ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় জানানো হয়, গত বছর কোরবানি মৌসুমে দেশে গরু, ছাগল, ভেড়া, মহিষ সহ ১ কোটি ১৭ লাখ ৮৮ হাজার ৫৬৩টি পশু মজুদ ছিল। এবার এ সংখ্যা হলো- ১ কোটি১৮ লাখ ৯৭ হাজার ৫০০ টি। এবার কোরবানির পশুর সম্ভাব্য চাহিদা ১ কোটি ১/১১ লাখ। ফলে চাহিদার চেয়ে উৎপাদন বেশি হওয়া এবং করোনা পরিস্থিতিতে অন্তত ২৫ শতাংশ কোরবানির সংখ্যা কম হলে প্রায় ৪০ লাখ কোরবানির পশু অবিক্রিত থাকতে পারে।

পিএনএস/এএ

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন