গণপূর্ত অধিদপ্তরের আজিমপুর ডিভিশনে ব্যাপক লুকোচুরি-লুটপাট ॥ সরকারী কর্মকর্তারা বিক্ষুব্ধ

  

পিএনএস (মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার) : গণপূর্ত অধিদপ্তরের আজিমপুর ডিভিশনের ধারাবাহিক দুর্নীতি আর অনিয়ম এখনও থামেনি। এই ডিভিশনের আওতায় সরকারী কর্মকর্তাদের জন্য বরাদ্দকৃত আবাসিক ভবনের মেরামত কাজে রয়েছে প্রকাশ্য ফাঁকিবাজি, অনিয়ম ও দুর্নীতি। ছোট ছোট কোটেশনের মাধ্যমে এই মেরামত কাজগুলো করার কথা থাকলেও কাজের কাজ কিছুই হয় না। অনেক আবাসিক ভবনে মেরামত কাজ হয়েছে বলে কাগজ-পত্রে প্রমাণ থাকলেও বাস্তবে মোটেই কাজ হয়নি। এমনকি, সংশ্লিষ্ট ব্যবহারকারীরা পর্যন্ত জানে না যে, তাদের নাম ব্যবহার করে কোটেশনের মাধ্যমে মেরামতের টাকা আত্মসাত করা হয়েছে। আজিমপুর সরকারী আবাসিক ভবনগুলোতে সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা বসবাস করেন। তাদের বাসা মেরামতের টাকা বারো ভূতে খাওয়ায় তারা বিক্ষুব্ধ হয়ে পড়েছেন। তাঁরা বলেছেন, রূপপুরের বালিশ কিচ্ছাকেও আজিমপুর গণপূর্ত ডিভিশন হার মানিয়েছে। বিগত অর্থ বছরে আজিমপুর গণপূর্ত ডিভিশনে এই ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতি সবচেয়ে বেশী হয়েছে। বিগত বছরে কোটেশনের মাধ্যমে সম্পাদিত কাজগুলো বাস্তবে কতোটা হয়েছে তা সরেজমিনে পরিদর্শন করলেই ফাঁকিবাজি, দুর্নীতি ও অনিয়মের প্রমাণ মিলবে। বিগত কয়েক বছর আগে উৎপল দে নামের একজন প্রকৌশলী আজিমপুর ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী থাকাকালে তার বিরুদ্ধে ৬ কোটি টাকারও বেশী আত্মসাতের অভিযোগ ছিল যিনি বর্তমানে গণপূর্ত অধিদপ্তরের একজন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী। আজিমপুর ডিভিশনে সে সময় দুর্নীতির যে গোড়া পত্তন হয়েছিল তা আজও থামেনি।

অভিজ্ঞমহল মনে করেন, বর্তমান গণপূর্ত মন্ত্রী শ.ম. রেজাউল করিম একজন স্বচ্ছ ও নির্ভেজাল মানুষ হওয়ার পরেও তার আমলে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে দুর্নীতির মাত্রা বেড়েছে। একজন সৎ মন্ত্রীর আমলে অসৎ গণপূর্ত অধিদপ্তরের কনসেপ্ট মেনে নেয়ার সুযোগ আছে কি?

অভিজ্ঞমহল এ ব্যাপারে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech