কৃষিতে যোগহল স্কোয়াশ চাষাবাদ

  

পিএনএস, সুন্দরগঞ্জে (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি : দিন যতই যাচ্ছে ততই কৃষিতে দেখা দিচ্ছে নতুন মাত্রা। সৃষ্টিশীল মনোভাব নিয়ে কৃষকরা এখন এগিয়ে চলছে। দেশী ফসলের পাশাপাশি কৃষকরা এখন বিদেশী ফসল চাষাবাদে ঝুকে পড়ছে। এতে করে গ্রাহকের যেমন রুচির পরিবর্তন হচ্ছে তেমনি করে অধিকহারে লাভবান হচ্ছে কৃষক। নতুন নতুন জাতের ফসল চাষাবাদ যেন কৃষকদের মাঝে আনন্দ যোগাচ্ছে। সুদুর দক্ষিণ আমিরিকার রবি মৌসুমের ফসল স্কোয়াশ এখন চাষাবাদ হচ্ছে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তিস্তার চরাঞ্চলে।

উপজেলার বেলকা ইউনিয়নের রামডাকুয়া গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য কৃষক মোস্তফা মিয়া চলতি রবি মৌসুমে ৪০ শতক জমিতে স্কোয়াশ চাষ করেছে। এতে তার ব্যয় হয়েছে ২৫ হতে ৩০ হাজার টাকা। তিনি আশা করছেন যদি কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা না দেয় তা হলে প্রায় ২ হতে আড়াই লাখ টাকার স্কোয়াশ বিক্রি হবে। তিনি চাকরি কালিন সময়ে বিদেশে স্কোয়াশ সর্ম্পকে ধারনা নিয়ে উপজেলা কৃষি অফিসারসহ মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের পরামর্শ এবং সার্বিক সহযোগিতায় স্কোয়াশ চাষাবাদ করেন। ফলন মোটামোটি ভাল হয়েছে। তবে এখন বিক্রি করার মত সময় আসেনি। এটি শশা এবং খিরা জাতীয় ফসল। অধিক পুষ্টিগুন সম্পূর্ণ ফসল স্কোয়াশ। রংপুর বিভাগীয় শহরে এর বাজার দর কেজি প্রতি ৬০ হতে ৮০ টাকা। এটি সাধারনত সালাত হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে তাকে। তবে তরকারি হিসেবেও ব্যবহার হয়।

উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ সৈয়দ রেজা-ই মাহমুদ জনান উপজেলার কৃষিতে স্কোয়াশ নতুন মাত্রায় যোগ হয়েছে। নতুন ফসলের প্রতি ক্রেতা ও বিক্রেতাদের আগ্রহ অনেক বেশি। উপজেলার মাটি নানাবিধ ফসল চাষাবাদের জন্য অত্যন্ত উপযোগি। বিশেষ করে তিস্তার চরাঞ্চলের মাটি রবি ফসল চাষাবাদে অধিক উপযোগি। কৃষকরা এখন ধান চাষাবাদের পাশাপাশি সবজি জাতীয় ফসল চাষাবাদে ঝুকে পড়ছে।

পিএনএস/মো: শ্যামল ইসলাম রাসেল

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন