রশিদুলের আরএএস পদ্ধতিতে মাছ চাষ হতে পারে অন্যদের জন্য মডেল

  

পিএনএস, নবাবগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি : দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার এক কলেজ ছাত্রের রিসাইক্লিং এ্যাকোয়া কালচার সিস্টেম (আরএএস) পদ্ধতিতে মাছ চাষ হতে পারে অন্যদের জন মডেল। নবাবগঞ্জ উপজেলার শালখুরিয়া ইউনিয়নের জিয়াগাড়ী গ্রামের স্কুল শিক্ষক আঃ হামিদের কলেজ পড়ুয়া ছেলে রশিদুল হাসান তার বসত বাড়ীর সামনে ওই পদ্ধতিতে মাছ চাষ শুরু করেছে।

মাছ চাষের পাশাপাশি সে হাঁসের খামারও গড়ে তুলেছে। রশিদুল জানায় উপরোক্ত পদ্ধতিতে মাছ চাষ প্রথম সে ময়মনসিংহ জেলা এলাকায় দেখে। সেই দেখা থেকেই তার ওই পদ্ধতিতে মাছ চাষের আগ্রহ। এই প্রথম তার বসত বাড়ীর সামনে ১৬ ফুট ব্যাস ও ৪ ফুট উচ্চতার একটি হাউজ তৈরী করেছে। হাউজে পানি রাখা হয় ৩ ফুট। হাউজে পানি দেয়ার জন্য সাবমারসিবল পাম্প এবং অক্সিজেন সরবরাহের জন্য অক্সিজেন পাম্প বসানো হয়েছে। পানির প্রয়োজন হলে দেয়া হয়। কিন্তু অক্সিজেন পাম্পের মাধ্যমে সার্বক্ষনিক দেয়া হয়। প্রতিদিন একবার করে হাউজের ময়লা পানি বের করে দিতে হয়।সে জানায় তার ওই হাউজে এবারে ১ হাজার তেলাপিয়া মাছ ছাড়া হয়েছে। এ এক হাজার মাছ চাষ করতে তার খরচ হবে ৩০ হাজার টাকা। ৩ মাস পর ১টি করে মাছ যদি এক কেজি করেও হয় তাহলে ৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করলেও তার আয় হবে ৯০ হাজার টাকা। খরচ বাদ দিলে তার লাভ টিকবে ৬০ হাজার টাকা। মাছ চাষের পাশাপাশি মাছের হাউজের পাশেই সে গড়ে তুলেছে হাঁসের খামার। ওই খামারে তার দেশিয় ক্রস জাতের হাঁস রয়েছে সাড়ে ৯০০টি। বর্তমানে হাঁসগুলির বয়স প্রায় ২ মাস। হাঁসগুলির বয়স ৩ মাস হতে তার খরচ হবে ৫৬ হাজার টাকা। কিন্তু ৩ মাস পর হাঁসগুলির বিক্রি দাম আসবে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা। হিসেব করে দেখা গেছে সে যদি বছরে ওই ভাবে চারবার করে মাছ চাষ ও হাঁস পালন করতে পারে তাহলে তার প্রতি বছর আয় আসবে ৭ লক্ষাধিক টাকা। এতে করে তার যেমন আয় আসবে তেমনি দেশের আমিষের চাহিদা মিটবে।

পিএনএস/মোঃ শ্যামল ইসলাম রাসেল

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech