পাঠকের চিঠি

যে দেশে দশ হাজার টাকা দিয়ে একটি বটি কিনতে চাওয়া যায়...

  

পিএনএস ডেস্ক : অ্যান্টিজেন, অ্যান্টিবডি কিট উদ্ভাবন করলেন দেশের বিজ্ঞানীরা। প্যাচে ফেলে আটকে দিয়ে এখন বিদেশ থেকে কিনে আনার প্রক্রিয়া চলছে।চীনের কোম্পানিকে ভ্যাকসিন ট্রায়ালের অনুমতি দিল বিএমআরসি।স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় তা আটকে দিল।স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব ঘোষণা দিলেন,চীনের ভ্যাকসিন বাংলাদেশ বিনামূল্যে সবার আগে পাবে।এই বক্তব্য কোন তথ্যের ভিত্তিতে,তা জানা যায়নি।চীনের ভ্যাকসিন সহজে পাওয়ার সম্ভাবনা তখনই তৈরি হতো,যদি আইসিডিডিআর,বিকে ট্রায়াল করতে দেওয়া হতো।ট্রায়াল করতে দিবেন

‘রেড জোন’ ও আমাদের গণমাধ্যম

  

পিএনএস (নিজামুল হক বিপুল) : এই লেখাটি যখন প্রকাশিত হবে তখন হয়তো সারাদেশের ‘রেড জোন’ সম্পর্কে সরকারি অর্থাৎ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা চলে আসবে। লকডাউন কার্যকর করার প্রস্তুতি চলবে। কোথাও কোথাও লকডাউন কার্যকর হয়েও যেতে পারে। সেটা আমার আলোচনার বিষয় না। আমি আলোচনা করতে চাচ্ছি এই ‘রেড জোন’ আর ‘লকডাউন’ নিয়ে আমরা গণমাধ্যম কর্মীরা কী করছি, আমাদের গণমাধ্যম-ই বা কী ভূমিকা রাখছে।রেড জোন ও লকডাউন নিয়ে গত কয়েকদিনের গণমাধ্যম ঘাটাঘাটি করলে এর একটা চিত্র স্পষ্ট হয়ে উঠবে। বিশেষ করে গত ১৪ জুন

নীরব কেন রফিক আজাদ? নীরব কেন জয়নুল?

  

ও কবি, তুমি কি কবিতা লিখ? যত্তো সব প্রেমের কবিতা! প্রেমের বাঁশী বাজাও পাগল করো সখীদের- কবিতার ফাঁদে ধর্ষণ করো অবলাদের।কবি, তুমি কি দেখো না করোনাকালে লাল, হলুদ, নীল রংয়ের রংবাজী চলছে- বাংলা মদে মাতাল হয়েছে মহাখালীর বান্দারা? তেজগাঁয়ের সাতরাস্তায় জোচ্চুরি করছে কারা? তোমাদের কলম কি তার খবর রাখে?তোমরা সোনাগাছির চিত্রকর? এলোকেশীর চেহারা এতো কেন মস্তিষ্কে? করোনাকালেও সুন্দরের কাব্যকথা ঘিরে আছে তোমাদের-তোমরা সবাই রবীন্দ্র আর জীবনানন্দ হতে চাও? কৃষ্ণলীলার পালায় রাঁধার

শত সহস্র মৃত্যু ছুঁয়ে রেড জোনে বাংলাদেশ!

  

পিএনএস ডেস্ক: মহামারী করোনা মোকাবেলায় গ্রীন—ইয়েলো নয় শত সহস্র মৃত্যু ছুঁয়ে সরাসরি রেড জোনে অবস্থান করছে বাংলাদেশ। আজ পর্যন্ত কোভিড আক্রান্ত রোগীর শনাক্তের সংখ্যা ৭৫ হাজার এবং মৃত্যু হয়েছে হাজারের উপর মানুষের। আমরা দেখতে পাচ্ছি ৫৬ হাজার বর্গমাইল জুড়ে দেশের নানা প্রান্তে ছড়িয়ে পড়েছে ভাইরাসটি। অথচ সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত ও সমন্বয় থাকলে সরকারি -বেসরকারি সম্মিলিত কার্যক্রমের মাধ্যমে চীন, ইতালি, স্পেন, আমেরিকা থেকে শিক্ষা নিয়ে গ্রীন জোনে থাকতে পারতাম আমরা। আজ সাধারণ রোগীকে বিনা চিকিৎসায় মরতে হত না।

রাস্তায় লুটোপুটো খাওয়া ইজ্জত এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন?

  

পিএনএস (নিজামুল হক বিপুল) : আচ্ছা, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনটি কী ‘খেলো’ হয়ে যাচ্ছে? যেভাবে আইনটির অপব্যবহার শুরু হয়েছে তাতে মনে হচ্ছে আইনটা অসার হয়ে যাচ্ছে। অথচ আইনটা করার সময় আমাদের মাননীয় আইনমন্ত্রী আনিসুল হক আশস্ত করে বলেছিলেন এই আইনের কোন অপব্যবহার হবে না, অপপ্রয়োগ হবে না। সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে তো নয়-ই। কিন্তু এখন আমরা দেখছি তার উল্টো। ঠুনকো কারণেই তথ্য প্রযুক্তি আইনে মামলা করা হচ্ছে যখন-তখন। আর বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এর শিকার হচ্ছেন দেশে কর্মরত সাংবাদিক ও সম্পাদকরা। রাজনৈতিক নেতা থেকে শুরু করে

গণপরিবহনের ভাড়া বাড়ানোটাই অযৌক্তিক

  

পিএনএস (নিজামুল হক বিপুল ): ক্ষুদ্র এক অণুজীবের কাছে পৃথিবীর মানুষ আত্মসমর্পণ করেছে। কোভিড-১৯ নামের প্রাণঘাতী ভাইরাসটি আমাদের দেশে শুধু মানুষের প্রাণই কেড়ে নিচ্ছে না, খেটে খাওয়া মানুষের পকেটও কাটতে শুরু করেছে।আর পকেট কাটার আয়োজনটা করে দিয়েছে সরকারই। রাষ্ট্রের জনগণকে কোথায় একটু সুরক্ষা দেবে, সুযোগ সুবিধা দেবে, ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য রাস্তা বাতলে দেবে, অর্থনীতির চাকা সচল করতে সাধারণ জনগণের পাশে দাঁড়াবে, তা না করে উল্টো কীভাবে সাধারণের পকেট থেকে টাকা নিয়ে বরাবর সুবিধাভোগী গোষ্ঠীর পকেট ভারি করা

কোভিড-১৯

  

পিএনএস (খান রিয়াজ): ফাঁকা রাস্তা, শূন্য বারান্দাসন্ধ্যা হলেই শহরে নেমে আসে ঘোর অন্ধকার। আমরা কি মাসের পর মাস বছরের পর বছর এভাবে তাকিয়ে থাকবো শূন্যতার দিকে?এই শূন্য ঘরে, এই নির্বাসনেকতোদিন, আর কতোদিন!কেউ ডাক শোনে না, কেউ ফিরে তাকায় নাশুন্য ঘরে ভাঙা চেয়ারে একা বসে আছি।এ কী শাস্তি আমাদের দিচ্ছো, হে আল্লাহএভাবে দগ্ধ হওয়ার নাম কি বেঁচে থাকা!মসজিদগুলো বন্ধ হয়ে ঘরগুলো হয়ে গেছে মসজিদ!বিশ্ব মন্দা তথা দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছে! টিভি ছাড়লেই মৃত্যুর মিছিলের স্ংবাদ! কফীনের কাছে

করোনাভাইরাস: একটি সুখবরের অপেক্ষায় দেশ

  

পিএনএস (ডা. আব্দুন নূর তূষার) : কনভ্যালেসেন্ট প্লাজমা থেরাপি হলো, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী যারা সুস্থ হয়ে গেছেন, তাদের শরীর থেকে রক্তরস বা রক্তের জলীয় অংশ -প্লাজমা নিয়ে গুরুতর অসুস্থ রোগীকে দেয়া। ইটালী, ইউকে, আমেরিকার নিউইয়র্ক, ভারতে এই চিকিৎসায় ভালো ফলাফল পাওয়া গেছে বলে চিকিৎসকরা বলেছেন।এটা এখনো কোন প্রমাণিত চিকিৎসা নয় তবে অধিকাংশ ট্রায়ালে রোগীর শরীরে কোন গুরুতর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা যায় নাই। অধিকাংশ ট্রায়ালে রোগীদের উল্লেখ করার মতো উন্নতি হয়েছে বলে বলা হয়েছে। একটি ট্রায়ালে ৪৩%

লাইলাতুল কদর; উম্মতে মুহাম্মাদির জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ নিয়ামত

  

পিএনএস ডেস্ক: হাজার মাসের চেয়েও উত্তম রজনী লাইলাতুল কদর বা শবে কদর। উম্মতে মুহাম্মাদির জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ নিয়ামত। আল্লাহর প্রেমে সিক্ত, জাহান্নাম থেকে মুক্তি ও জান্নাত অর্জনের এক বিশেষ সুযোগের রাত লাইলাতুল কদর। ‘শবে কদর’ শব্দটি ফারসি। শব অর্থ রাত বা রজনী আর কদর অর্থ মহিমান্বিত, সম্মান, মর্যাদা, গুণাগুণ, সম্ভাবনা, ভাগ্য ইত্যাদি। শবে কদরের অর্থ হলো মর্যাদার রাত বা ভাগ্যরজনী। শবে কদরের আরবি হলো লাইলাতুল কদর তথা সম্মানিত রাত। যে রাতে কোরআন নাজিল হয়েছে, সে রাতকে লাইলাতুল কদর বলা হয়। ইরশাদ হচ্ছে-

করোনা যুদ্ধে প্রধান অস্ত্র যে খাবারগুলো

  

পিএনএস (ফারহানা কবির ইমা): কোভিড-১৯ এর সাথে যুদ্ধ করতে হবে। সামাজিকভাবে বিচ্ছিন্ন থাকতে হবে। কারণ, করোনা সহসাই যাবে না। তাই প্রতিনিয়ত করোনা যুদ্ধে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে হবে। আর পুষ্টিকর খাবারই পারে এই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে।অর্থনীতি, করোনা এবং মানুষের ত্রিমুখী যুদ্ধ শুরু হলো মাত্র। এদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হুশিয়ার করে জানিয়েছেন, আপনার, আমার করোনা হতে পারে এবং সেইভাবেই আমাদের প্রস্তুতি নিতে হবে। ভয় পেয়ে লাভ নেই, মোকাবেলা করে বেঁচে থাকার প্রস্তুতি নিতে হবে। এখন দরকার