স্বাস্থ্যকথা

কামরাঙা খেলে মৃত্যুও হতে পারে!

  

পিএনএস ডেস্ক :পর্তুগীজরা ভারতীয় উপমহাদেশে যে কয়টি গাছ নিয়ে এসেছিল তার মধ্যে কামরাঙা অন্যতম। পর্তুগীজদের আনা এ ফল এখন অনেকেরই প্রিয়অ টক-মিষ্টি স্বাদের জন্য অনেকেই কামরাঙা পছন্দ করলেও হয়তো উপকারের কথা জানেন না। চলুন কামরাঙার কিছু গুণের পাশাপাশি একটি মারাক্তক ক্ষতিকর দিকের কথা জেনে নিই- ১. কামরাঙায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার যা হজমে সাহায্য করে। এটি কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করে।২. কামরাঙায় প্রচুর পরিমাণে পলিফেনোলিক ফ্লাভনয়েড নামের অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট রয়েছে যা খাদ্যনালির ক্যানসারের

নারী ধূমপায়ীদের তালিকায় শীর্ষে বাংলাদেশ

  

পিএনএস ডেস্ক : তামাকজাত যেকোনও দ্রব্য ব্যবহারের মধ্যেই এক ধরনের আসক্তি থাকে। কিন্তু আসক্তির চেয়েও বড় হয়ে সামনে এসেছে ফ্যাশন। নিজেকে ফ্যাশনেবল হিসেবে জাহির করতেই পুরুষদের পাশাপাশি মেয়েরাও অভ্যস্ত হচ্ছে ধূমপানে। অনেকেই আবার পুরুষের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে নিজেকে পুরুষের সমকক্ষ হিসেবে প্রমাণ করতেও এই ক্ষতিকর পন্থাটি বেছে নেন। বিশেষত বাংলাদেশের মেয়েরা গত ১০-১৫ বছর ধরে এই ধূমপানের দিকে ব্যাপক হারে ঝুকেছে। এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ধূমপানের হার বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি। এখানকার পুরুষদের মধ্যে ধূমপান করেন

ইফতারে ডাবের পানি

  

পিএনএস ডেস্ক: গরমে একটু স্বস্তি এনে দিতে ডাবের পানির বিকল্প নেই। এই গরমে ডাবের পানির মতো শান্তি ও তৃপ্তি বোধহয় অন্য কিছুতে নেই! সারাদিন রোজা রেখে ইফতারে ঠান্ডা একগ্লাস ডাবের পানি আপনার প্রাণ জুড়িয়ে দেবে। এটি শরীরের নানা ঘাটতিও পূরণ করে।শুধু তেষ্টা মেটাতেই নয়, গরমে শরীর ভালো রাখতেও ডাবের পানি অত্যন্ত উপকারী। জেনে নিতে পারেন ডাবের পানির কয়েকটি গুণ-প্রচন্ড গরমে শরীরে ঘামের সঙ্গে অনেকটা পানি বেরিয়ে যায়। ফলে শরীরে পানির ঘাটতি দেখা দেয়। একই সঙ্গে ডি-হাইড্রেশনের সমস্যাও মাথা চাড়া দিয়ে

ক্যান্সারের জীবাণু ধ্বংস করতে পারে ‘রোজা’

  

পিএনএস ডেস্ক: রোজা হলো অটোফেজি, যা ক্যান্সারের জীবাণু ধ্বংস করতে পারে। মুসলিম সম্প্রদায়ে যা রোজা নামে পরিচিত তা বিজ্ঞানের ভাষায় ‘অটোফেজি’। রোজার উপর গবেষণা করে জাপানি গবেষক ওশিনরি ওসুমি ২০১৬ সালে ‘অটোফেজি’ নামক একটি শারীরিক প্রক্রিয়ার আবিষ্কার করেন এবং নোবেল পুরস্কার পান। অটোফেজি শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ অটো ও ফাজেইন থেকে। বাংলায় যার অর্থ হচ্ছে আত্মভক্ষণ বা নিজেকে খেয়ে ফেলা। উপবাসের সময় আমাদের শরীরের সক্রিয় কোষগুলো নিষ্ক্রিয় থাকে না। সক্রিয় কোষগুলো সারা বছরে তৈরি হওয়া ক্ষতিকারক আর নিষ্ক্রিয়

এলাচ খেয়ে এড়াতে পারবেন মারাত্বক কিছু রোগ!

  

পিএনএস ডেস্ক: খাবারে স্বাদ বৃদ্ধি করার জন্য এলাচ দেয়া হয়। এলাচ শুধু স্বাদ বৃদ্ধিই করে না, স্বাস্থ্যের অনেক উন্নতিও করে। এলাচ আমাদের শরীরের নানা রোগ-প্রতিরোধে সহযোগিতা করে, চলুন জেনে নেয়া যাক-১. এলাচ সর্দি-কাশিতে খুবই কার্যকরী। চায়েরে সঙ্গে মধু, এলাচ খেলে সর্দি-কাশি কমে যায়। ২. নিয়মিত এলাচ খেলে শরীরে রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক থাকে।৩. এলাচ ওজন কমাতে সাহায্য করে।৪. এলাচের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট মধ্যে থাকে যা ত্বকে ছাপ, বলিরেখা পড়তে বাধা দেয়।৫. মুখের দুর্গন্ধ হাত থেকে বাঁচতে মুখে

গরমেও সতেজ থাকতে

  

পিএনএস ডেস্ক: রোদ, গুমোট গরম, ধুলোবালি- এই হচ্ছে এই সময়ের চিত্র। আর এসবই আমাদের ত্বকের জন্য বেশ ক্ষতিকর। এসময় যদি আমরা ত্বকের সঠিক যত্ন না নেই তাহলে খুব সহজেই তা মলিন হতে শুরু করবে। ত্বকের যত্ন মানে কিন্তু শুধু মুখ নয়, হাত-পায়ের পরিচর্যাও করতে হবে। জেনে নিন কোন উপায়গুলো মেনে চলতে পারলে গরমকাল সহনীয় হবে, ফুরফুরে থাকতে পারবেন সারাদিন-এক্সফোলিয়েটত্বকের উপরে জমে যাওয়া ডেড সেল নিয়মিত তুলে না ফেললে ত্বক বিবর্ণ ও নিষ্প্রভ দেখায়। সপ্তাহে দুই থেকে তিনদিন গোসলের সময় সারা শরীরে বডি স্ক্রাব দিয়ে

জেনে নিন ইফতারে ফল খেলে অ্যাসিডিটি হয় কিনা?

  

পিএনএস ডেস্ক: সারাদিন রোজার শেষে ইফতারের আয়োজনে নানারকম ফল রাখেন অনেকেই। খালি পেটে সেসব ফল খাওয়া ঠিক না ভুল তা নিয়েও সন্দিহান থাকেন অনেকে। অনেকের ধারণা খালি পেটে ফল খেলেই অ্যাসিডের প্রকোপ বাড়ে। ডায়েটিশিয়ানরা মনে করেন, ফল থেকে পূর্ণ পুষ্টিগুণ পাওয়ার জন্য তা নির্দিষ্ট কয়েকটি নিয়ম মেনে তবেই খাওয়া উচিত। জেনে নিন সেগুলো কী-ফল খাওয়ার আগে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। রোজায় সারাদিন শরীর পানিহীন অবস্থায় থাকে, তাই সবার প্রথমে তাকে আর্দ্রতার জোগান দিন।এরপর যদি একটি ফল খান, তা হলে

ইফতারে শরবত কেন খাবেন?

  

পিএনএস ডেস্ক:রোজাদারের সারা দিনের ঘাটতি দ্রুত পূরণ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে শরবত। রোজার সময় সারা দিন অনাহারে থাকার ফলে মানুষের শরীরে পানি ও গ্লুকোজের অভাব হয়। এ জন্য এ সময় চিনি বা গুড় বা ফলের শরবত খুব উপকারি। এতে দেহে দ্রুত পানির ঘাটতি পূরণ করে শক্তি দেবে। শরবতে রয়েছে খাদ্যশক্তি, গ্লুকোজ, ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ। শরবত তৃষ্ণা মেটায়, পেট ঠাণ্ডা রাখে, খাদ্যদ্রব্য হজমে সহায়তা করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। শরবত স্যালাইনের মতো শরীরে দ্রুত শক্তি বাড়ায়। কিন্তু এখানে বুঝতে হবে কোন শরবত

যে কারণে রোজায় কালো জিরা খাবেন!

  

পিএনএস ডেস্ক:ইফতার মানে খাবারের টেবিলে মুখরোচক ভাজাপুরি খাবারের সমাহার। আর এর ফলে আমাদের শরীরে বাসা বাধে নানা রোগ। এবার রমজানে শুরুতেই বাড়ছে তাপদহ। ফলে ‘নিয়ন্ত্রণহীন খাবারের জন্য’ পেটের সমস্যাসহ নানা সমস্যায় ভুগছেন কেউ কেউ। এক্ষেত্রেও অত্যন্ত কার্যকরী ভেষজ মসলা কালো জিরা।আমাদের রান্নাবান্নার ক্ষেত্রে একটি প্রয়োজনীয় উপাদান হলো কালো জিরা। হঠাৎ ঠাণ্ডা লেগে সর্দি কাশির সমস্যা থেকে শুরু করে শ্বাস কষ্ট বা পেটের নানা সমস্যায় কালো জিরা অত্যন্ত কার্যকরী একটি উপাদান। রোজায় শ্বাসকষ্ট কমাতে কালো

ডায়াবেটিস থাকলে রোজা রাখবেন যেভাবে!

  

পিএনএস ডেস্ক:রমজান মাস শুরু হয়েছে। মুসলমানদের কাছে অবশ্য পালনীয় রোজা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি ডায়াবেটিসের মতো রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের স্বাস্থ্য ঠিক রাখাও জরুরি। কারণ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের নিয়ম মেনে ও সময় মতো খাবার খেতে হয়। সেইসঙ্গে দিনের বিভিন্ন সময় তাদের ওষুধ নেয়ার দরকার হয়। ফলে সেহরি এবং ইফতারের মধ্যে দীর্ঘসময় না খেয়ে থাকার প্রভাব পড়তে পারে তাদের শরীরে। বাড়তে পারে স্বাস্থ্যঝুঁকি।রমজান মাসে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির রোজা রাখার ক্ষেত্রে কী কী

Developed by Diligent InfoTech