অপরাধ

নড়িয়ায় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুত অগ্রাধিকার পাউবো’র প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রতিবন্ধকতা- পাউবো এবং আইডব্লিউএম-এর মধ্যে সমন্বয়হীনতা-

  

পিএনএস (মো: শাহাবুদ্দিন শিকদার) : শরীয়তপুরের নড়িয়ায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুত অগ্রাধিকার প্রকল্প বাস্তবায়নে পাউবো এবং আইডব্লিউএম-এর মধ্যে সমন্বয়হীনতা দেখা দিয়েছে। ফলে “শরীয়তপুর জেলার জাজিরা ও নড়িয়া উপজেলায় পদ্মা নদীর ডান তীর রক্ষা” শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রতিবন্ধকতা দেখা দিয়েছে। এভাবে চলতে থাকলে প্রকল্পের বাস্তবায়নকারী ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান দেশপ্রেমিক নৌবাহিনীর নেতৃত্বাধীন খুলনা শীপইয়ার্ড লিমিটেড আর্থিক ও কারিগরী ক্ষতির সম্মুখীন হবে যাতে করে প্রকল্প বাস্তবায়নে বড় ধরণের বিঘ্ন সৃষ্টি

বিআইডব্লিউটিএ’র সুরতহাল : নৌরুটের ড্রেজিং কাজের টাকা ভাগাভাগি : দুদক-এর নথি ধামাচাপা

  

পিএনএস (মো: শাহাবুদ্দিন শিকদার): বিআইডব্লিউটিএ’র ২৬টি নৌরুটের টাকা ভাগাভাগি হয়েছে। বিগত তিন বৎসরে এই টাকা লুটপাট হয়েছে। এই ২৬টি নৌরুট হলো : ভোলা লক্ষীপুর নৌপথ (মেঘনা নদী), ২। ঢাকা বরগুনা নৌপথ (খাগদান নদী), ৩। ঢাকা-দূর্গাপাশা কারখানা-বগা-ঝিলনা-পটুয়াখালী নৌপথ, ৪। গলাচিপা পটুয়াখালী নৌপথ (লোহালিয়া-লাউকাঠি নদী, ৫। বরিশাল নাজিরপুর লালমোহন) তেতুলিয়া নদী ৬। লাহারহাট ভেদুরিয়া-শ্রীপুর ফেরীঘাট, ৭। ঢাকা-বরিশাল নৌপথ, ৮। বরিশাল নদী বন্দর (উলানিয়া-কালিগঞ্জ নৌপথ, ১০। হরিনা-আলুবাজার নৌপথ, ১১। চাঁদপুর

বিআইডব্লিউটিএ’র সুরতহালঃ ড্রেজিং বিভাগের শীর্ষ দুর্নীতিবাজদের পাহাড় সমান সম্পদঃ দুদক করে কি?

  

পিএনএস (মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার) : বিআইডব্লিউটিএ’র শীপ বিল্ডিং সেক্টরের কোন ঠিকাদারই গত এক যুগে মাথা তুলে দাঁড়াতে পারেনি। শত শত কোটি টাকা বিনিয়োগ করেও অধিকাংশ শীপ বিল্ডিং প্রতিষ্ঠান পথে বসেছে। বিভিন্ন বাহানায় চিহ্নিত এক দুর্নীতিবাজ তাদের শোষণ করেই পথে নামিয়েছে। নয়নাভিরাম ডকইয়ার্ড/শীপইয়ার্ড, উন্নত যন্ত্রপাতি এবং বিপুল টাকার বিনিয়োগ চলে গেছে ড্রেজিং ইউনিটের শীর্ষ দুর্নীতিবাজ এবং তার অনুগত শিষ্যদের পেটে। এতে করে কোন কোন শীপইয়ার্ড সময় মতো কাজ বুঝিয়ে দিতে পারেনি। ধারের নামে ঘুষ, কাজ মানসম্মত হয়নি বলে

পাউবো’র নড়িয়া প্রকল্প এখন এক্সপেরিমেন্টাল গিনিপিগঃ কাজের গতি অতি মন্থরঃ জনস্বার্থে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ প্রয়োজন-

  

পিএনএস (মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার) : শরীয়তপুর জেলার নড়িয়ার ভাঙ্গন কবলিত এলাকার মানুষের কপাল পুড়লেও জনপ্রতিনিধিরা অনেক দিন এখানে সাহায্যের হাত প্রসারিত করেননি। তবে বয়সে তরুণ হলেও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা এবং বর্তমান পানি সম্পদ উপমন্ত্রী এমপি-মন্ত্রী হওয়ার আগেই এই প্রকল্পের অনুমোদন ও বাস্তবায়নে ব্যাপক উদ্যোগ গ্রহণ করেন। প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রয়োজনে প্রায়ই তিনি ছুটে যান তাঁর নির্বাচনী এলাকায়। ঘন ঘন পরিদর্শন করেন প্রকল্প এলাকা। বছরের ৩৬৫ দিনের ২৪ ঘন্টাই তিনি প্রকল্পের কাজের ব্যাপারে আপডেট থাকেন। প্রয়োজনে

বিআইডব্লিউটিএ’র সুরতহাল : মধু খেকো প্রকল্প পরিচালক!

  

পিএনএস (মো: শাহাবুদ্দিন শিকদার) : তিনি বিআইডব্লিউটিএ’র বড় বড় প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক। সংস্থার বড় প্রকল্প আসলেই তিনি তদ্বির করে তার প্রকল্প পরিচালক হন। টেন্ডারবাজি করে ঠিকাদারদের ফাঁদে ফেলে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেন। টাকার লেনদেন এবং দর কষাকষির জন্য ব্যবহার করেন ছাত্রলীগের একজন সাবেক নেতাকে। টাকার বড় অংশ জমাও রেখেছেন ঐ ছাত্র নেতার কাছে। ঐ ছাত্রনেতাকে বিআইডব্লিউটিএ সংশ্লিষ্ট সবাই চিনেন। তাঁর কতো টাকা আছে? কি পরিমাণ সম্পত্তি আছে? কি পরিমাণ সোনাদানা আছে তা নিয়ে তিনি ইতিমধ্যেই জীবন্ত কিংবদন্তী।

নাব্যতা রক্ষার নামে হচ্ছেটা কি? মন্ত্রণালয়ের সরেজমিন মনিটরিং জরুরী-

  

পিএনএস (মো: শাহাবুদ্দিন শিকদার) : প্রধান প্রধান নৌ-রুটে নাব্যতা বজায় রাখার প্রয়োজনে গ্রহণযোগ্য ড্রেজিং হলেও কম পরিচিত ও কম ব্যবহৃত নৌ-রুটে ড্রেজিং-এর নামে দুর্নীতি ও অনিয়ম মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়সহ প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়ে উপস্থাপিত ডিপিপিতে এই সমস্ত নৌ-রুটে মাঝারী মানের জাহাজ কিংবা পণ্যবাহী নৌযান চলাচলের বর্ণনা থাকলেও বাস্তবে নৌযান চালানো দূরে থাক ছোট ডিঙ্গী নৌকাও চলছে না। বছরের পর বছর শত শত কোটি টাকা খরচ করেও বাস্তবে নৌ-রুটগুলো এখনও কার্যকর হয়নি। প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়ের মনিটরিং

বেবিচক-এর সেমসুর দুর্নীতি-অনিয়ম কেউ থামাতে পারলেন নাঃ সিভিল এভিয়েশনের জিকে শামীম কে?

  

পিএনএস (মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার) : বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)-এর অন্যতম প্রধান ইউনিট সেমসু’র দুর্নীতি-অনিয়ম কেউ কোন দিন থামাতে পারেনি। কোন কালে এই দফতর দুর্নীতিমুক্ত বা পরিশুদ্ধ হবে এমন আশাও আর কেউ করে না। বছরের পর বছর এই ইউনিটের পাহাড় সমান দুর্নীতি সিভিল এভিয়েশন অথরিটির প্রশাসনের সামনে দাঁত কেলিয়ে ভেংচি কাটছে। ‘কোটেশন বাণিজ্য’ হিসাবে অতি পরিচিত ছোট ছোট অংকের টাকার কেনাকাটার নামে প্রায় পুরো টাকাই লুটপাট হচ্ছে দিনের পর দিন। বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয় কিংবা সিভিল এভিয়েশন

বনশ্রীর খেলার মাঠ ও গোরস্থানের জায়গা পূণরূদ্ধারে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা-

  

পিএনএস (মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার) : জহিরুল ইসলাম। আবাসন শিল্পের মহান এক কারিগর। রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্তে তিনি ভূমির উন্নয়ন করে প্লট আকারে তা বিক্রি করে মানুষের বসবাসের উপযোগী করেছিলেন। পর্যাপ্ত সংখ্যক ভবন করে এপার্টমেন্ট তৈরী করে সেগুলো বিক্রি করে নগরবাসীকে বসবাসের সুযোগ করে দিয়েছিলেন। এই মহান মানুষটির কারণেই রাজধানীতে নতুন নতুন আবাসিক এলাকা গড়ে উঠেছে। বলা যায়, আধুনিক ঢাকার অন্যতম কারিগর তিনি। তিনি মানুষের সুন্দর আবাসনের স্বপ্ন দেখেছিলেন- মানুষও সুখ স্বপ্নে বিভোর হয়েছিল। কিন্তু ভূমি খেকো দুষ্ট

পর্ব-২ : বাণচাল হয়ে যাচ্ছে বিআইডব্লিউটিএ’র প্রকল্পঃ স্থবিরতার মুখোমুখি পুরো সংস্থা-

  

পিএনএস (মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার) : মেহগনি কাঠের ফ্রেম আর কদম কাঠের পায়া লাগালে একটা টেবিল যেমন মজবুত হয় না ঠিক তেমনি ভাল কোম্পানীর ড্রেজার কিনে পাইপসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক যন্ত্রপাতি কথিত কোম্পানী থেকে কিনলে মজবুত ও টেকসই ড্রেজার নির্মিত হয় না। বুয়েটের নেভাল আর্কিটেক্ট বিভাগ এটা বুঝলেও না বোঝার ভান করে বিআইডব্লিউটিএ’র সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের প্রকৌশলীরা। এক সময় টিউবওয়েল বানোনো কোম্পানীটি পরবর্তীতে ঘর-গৃহস্থালীর পণ্য উৎপাদনে জনপ্রিয় হয়ে উঠা কোম্পানীর নিকট থেকে ড্রেজারের সংবেদনশীল পাইপ কেনার পাঁয়তারা

বাণচাল হয়ে যাচ্ছে বিআইডব্লিউটিএ’র প্রকল্পঃ স্থবিরতার মুখোমুখি পুরো সংস্থা-

  

পিএনএস (মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার) : বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) স্থবির হয়ে পড়েছে। সংস্থায় প্রেষণে নিয়েজিত একজন বিদায়ী শীর্ষ কর্মকর্তার দায়িত্বে অবহেলা, গোয়ার্তুমি, উন্নয়ন সহযোগী ও ঠিকাদারদের সাথে দুর্ব্যবহার, কাজ-কর্মে জটিলতা সৃষ্টি, নতুন প্রকল্প সৃষ্টির প্রতি অনীহা, বিদ্যমান প্রকল্প বাস্তবায়নে নানামুখী জটিলতা সৃষ্টির কারণে পুরো সংস্থাটি নিথর হয়ে পড়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন নদী বাঁচাতে ও নদীর নাব্যতা রক্ষায় নানামুখী যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত গ্রহণের পক্ষপাতী তখন