ব্যবসা-বাণিজ্য

বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া প্রথম বাণিজ্য সম্মেলনের সমাপ্তি

  

পিএনএস ডেস্ক: দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক বাধা দূরীকরণ ও বাণিজ্য বৃদ্ধির অধিক্ষেত্র প্রস্তুতের প্রত্যয় নিয়ে শেষ হলো বাংলাদেশ-অষ্ট্রেলিয়া বাণিজ্য সম্মেলন।শনিবার (১৬ নভেম্বর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে গত বৃহস্পতিবার এ বাণিজ্য সম্মেলন শুরু হয়ে শুক্রবার তা শেষ হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্যিক বাধাসমূহ দূরীকরণের মধ্য দিয়ে বাণিজ্য বৃদ্ধির জন্য ইতিবাচক অভিপ্রায়ে অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ প্রথম বাণিজ্য সম্মেলন

মজুদ রাখা পচা পেঁয়াজ কর্ণফুলী নদীতে

  

পিএনএস ডেস্ক : গুদামজাত করা বিপুল পরিমাণ পেঁয়াজ পচে যাওয়ার পর তা কর্ণফুলী নদীতে ফেলে দিয়েছেন চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জের আড়তদাররা।খাতুনগঞ্জের পাশে কর্ণফুলী নদীর সংলগ্ন চাকতাই খালে এসব পেঁয়াজ ফেলা হচ্ছে বলে দেখা গেছে। স্থানীয়রা বলছেন, দাম আরো বাড়ার আশায় আড়তদারদের গুদামে মজুদ করে রাখা পেঁয়াজে পচন ধরেছে। সে পচা পেঁয়াজ এখন আড়ত থেকে বের হচ্ছে প্রতিদিন।খালের পাড়ে এখন বিপুল পরিমাণ পচা পেঁয়াজ ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে।শনিবার চট্টগ্রাম বন্দর নগরীর বিভিন্ন খুচরা বাজারে ২৪০ থেকে ২৫০ টাকা কেজিতে

প্লেনে চড়ে মঙ্গলবার দেশে আসছে পেঁয়াজ

  

পিএনএস ডেস্ক : মিসর থেকে কার্গো বিমানযোগে আমদানি করা পেঁয়াজের প্রথম চালান মঙ্গলবার ঢাকায় পৌঁছাবে বলে জানিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।পর্যায়ক্রমে অন্য আমদানিকারকদের আমদানি করা পেঁয়াজ কার্গো উড়োজাহাজে ঢাকায় পৌঁছাবে।মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য ও অফিসার ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আব্দুল লতিফ বকসীর পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এস আলম গ্রুপ বিপুল পরিমাণ পেঁয়াজ আমদানি করছে। এটি তার প্রথম চালান।দ্বিশতক হাঁকিয়েও অপরাজিত রয়েছে পেঁয়াজ। গতকাল শুক্রবার থেকে ঢাকার বাজারে প্রায় সব ধরনের পেঁয়াজ ২০০ টাকার ওপর

ফল ছেড়ে যেভাবে পেঁয়াজ ব্যবসা ধরলেন দুই ভাই

  

পিএনএস ডেস্ক : তাঁরা মূলত ফল বিক্রেতা। কিন্তু দেশজুড়ে এখন পেঁয়াজের বহমান ঝাঁজ তাঁদের নাকেও এসে লেগেছে। তাই দুই ভাই কিছুদিনের জন্য ফল তুলে রাখলেন। নেমে পড়লেন পেঁয়াজের ব্যবসায়। পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জ থেকে পেঁয়াজ কিনে অলিগলিতে বেচতে শুরু করলেন তাঁরা।এই দুই সহোদরের নাম দীন ইসলাম ও নুরুল ইসলাম। বাড়ি কুমিল্লায়। কর্মসূত্রে থাকেন চট্টগ্রাম শহরের আলকরণ এলাকায়। পেশা ফল বিক্রি। বিশেষ করে দুজন একসঙ্গে ডাব বিক্রি করেন। ফিরিঙ্গীবাজার থেকে ফল সংগ্রহ করে ভ্যানে করে বিক্রি করেন।পেঁয়াজের

একটি পেঁয়াজের দাম ৪০ থেকে ৭০ টাকা

  

পিএনএস ডেস্ক : দাম বাড়ার পর একটি পেঁয়াজের দাম কত হতে পারে? ১০ টাকা। ২০ টাকা। না, আপনার ধারণা ঠিক নয়। যাঁরা নিয়মিত বাজার-সদাই করেন, তাঁরা কিছুটা হলেও আঁচ করতে পারেন। বাজারে বড় আকারের একটি পেঁয়াজের দাম এখন ৪০ থেকে ৭০ টাকা।বড় আকারের এই পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে চীন ও মিসর থেকে। লাল বা কালচে লাল রঙের একেকটি পেঁয়াজের ওজন ২০০ থেকে ৩৫০ গ্রাম পর্যন্ত। কেজিপ্রতি ২০০ টাকা দাম হিসাব করে বড় আকারের একটি পেঁয়াজের দাম পড়ছে ৪০ থেকে ৭০ টাকা। এ রকম বড় আকারের তিন থেকে পাঁচটি পেঁয়াজের ওজন মিলিয়ে এক কেজি

ট্রিপল সেঞ্চুরির দিকে এগোচ্ছে পেঁয়াজ!

  

পিএনএস ডেস্ক : দেশজুড়ে বাজারে অভিযান, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আশ্বাস, বড় চালান আসার খবর—কোনো কিছুই থামাতে পারছে না পেঁয়াজের দরবৃদ্ধিকে। ডাবল সেঞ্চুরি করে এখনো নটআউট পেঁয়াজ। বাঙালি রান্নার উপাদেয় এই উপকরণটির চোটপাটে ক্রেতারা দিশেহারা।রাজধানীর বাজারে আজ শুক্রবার সকাল থেকেই গতকালের চেয়ে বাড়তি পেঁয়াজের দাম। কারওয়ান বাজার, খিলগাঁও, কলাবাগান, আগারগাঁওয়ের বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রায় সব ধরনের পেঁয়াজই কেজিতে ২০০ টাকার ওপর বিক্রি হচ্ছে। ভালো মানের দেশি পেঁয়াজের দাম ২২০ টাকা ছাড়িয়েছে।দেশি পেঁয়াজের

পাকিস্তান থেকে পেঁয়াজ আমদানিতে বাধা নেই

  

পিএনএস ডেস্ক : ভারত বাংলাদেশে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেয়ার বেশ কিছুদিন থেকে পেঁয়াজের বাজারে অস্থিতিশীলতা বিরাজ করছে। এ অবস্থায় বিকল্প উৎস মিয়ানমার, মিসর, চীন ও তুরস্ক থেকে থেকে পেঁয়াজ আমদানির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এমনকি ব্যবসায়ীরা যদি চায় পাকিস্তান থেকেও পেঁয়াজ আমদানি করতে পারে বলে জানিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।ইতোমধ্যে মিয়ানমার, মিসর, চীন ও তুরস্ক থেকে বেশ কিছু পেঁয়াজ আমদানিও করা হয়েছে।এদিকে পাকিস্তানের একটি ইংরেজি দৈনিক খবর প্রকাশ করেছে যে, অন্তত ১৫ বছর পর পাকিস্তান থেকে পেঁয়াজ আমদানি করছে

১শ’ টাকার কমে পেঁয়াজের পাওয়া সম্ভাবনা নয়: বাণিজ্যমন্ত্রী

  

পিএনএস ডেস্ক: পেঁয়াজের দাম ১শ’ টাকার কমে পাওয়ার আপাতত কোনো সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। তিনি বলেন, মিশর থেকে ৫০ টন পেঁয়াজ আসলে দেশে পেঁয়াজের দাম একটু কমবে। যা কেজি ১শ’ টাকা দরে হবে।শুক্রবার রংপুরের একটি হোটেলে ইটভাটা মালিক সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এ কথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী।তিনি বলেন, ভারত থেকে মূলত আমরা পেঁয়াজ আমদানি করে থাকি। সেখানেই বর্তমানে পেঁয়াজের দাম প্রতি কেজি ৮০ টাকা। তা আমাদের দেশে ১শ’ টাকা হবে। তাই ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি করে কোনো লাভ নেই। তাই আপাতত

৪২ টাকায় আসা পেঁয়াজ বাজারে ১৫০

  

পিএনএস ডেস্ক : দেশে পেঁয়াজের দাম বাড়ার পিছনে রয়েছে ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের কারসাজি। মিয়ানমার থেকে যেই পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে ৪২ টাকায়, ভোক্তা পর্যায়ে তা বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকা কেজিতে।অভিযোগ দামের এই কারসাজিতে জড়িত আমাদানিকারক, সিএন্ডএফ এজেন্ট ও আড়তদাররা। ভারত গত ২৮ অক্টোবর থেকে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেয়। এরপর বাংলাদেশে সরকারের পক্ষ থেকে নানা উদ্যোগ নেয়া হলেও পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়নি। রপ্তানি বন্ধের আগের দিনও বাজারে পেঁয়াজের কেজি ছিলো ৮০ টাকা। খবর ডয়চে ভেলের।বাণিজ্য মন্ত্রণালয়

ফের বেড়েছে পেঁয়াজের দাম

  

পিএনএস ডেস্ক : বেড়েই চলছে পেঁয়াজের দাম। প্রতিদিন প্রকারভেদে মন প্রতি গড়ে ১৫০ থেকে ২০০ টাকা বৃদ্ধি পাচ্ছে পেঁয়াজের দাম। ক্রমাগত দাম বৃদ্ধিতে তা ভোক্তাদের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে।রাজধানীর কারওয়ান বাজারে পেঁয়াজ কিনতে এসে দোকানির সঙ্গে রীতিমতো ঝগড়া করেছেন আবদুল মজিদ নামে একজন। বলছিলেন, ‘কী পাইছেন আমরারে। মগের মুলুক পাইছেন। ডেইলি ১০ টাকা করে দাম বাড়াচ্ছেন।’আমাদানিকারকরা জানান, মানভেদে মিয়ানমারের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১১৫ টাকা এবং ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১১৫ থেকে ১২০ টাকা দরে।